সরকারের উন্নয়ন সম্পর্কে জনগণকে ধারণা দিতেই সারাদেশে উন্নয়ন মেলার আয়োজন : প্রধানমন্ত্রী

Friday, January 12th, 2018

2018-01-11_8_410057

নিউজকক্স ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সারাদেশে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনকালে বলেছেন, সরকার যে কাজগুলো করেছে এবং ভবিষ্যতে যে কাজগুলো করতে যাচ্ছে তা সম্পর্কে জনগণকে ধারণা দিতেই এই মেলার আয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই মেলায় আজকে যারা সম্পৃক্ত রয়েছেন তাদেরকে বলবো যে কাজগুলো আমরা করতে পেরেছি এবং যে কাজগুলো ভবিষ্যতে করার পরিকল্পনা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে সেগুলো সম্পর্কে যেমন জনগণকে সচেতন করা দরকার তেমনি আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো যেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় তারজন্য সকলের সহযোগিতা একান্তভাবে দরকার।’
তিনি বলেন, ‘এই উন্নয়ন যেন অব্যাহত থাকে সেই লক্ষ্য নিয়েই এই উন্নয়ন মেলার সূচনা।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ১১ জানুয়ারি সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একযোগে সকল জেলা-উপজেলায় অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পীকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া, এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো.আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই উন্নয়ন মেলা নিয়ে একটি ভিডিও তথ্যচিত্র পরিবেশিত হয়।
এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বরগুনা, ঝিনাইদহ, হবিগঞ্জ, গাইবান্ধা ও চাঁদপুর জেলার স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
তাঁর সরকার প্রতিটি গ্রামকে দারিদ্র মুক্ত করতে চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বলেন, আজকের বাংলাদেশ তাঁর দেয়া ঘোষণা মোতাবেক ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপ পরিগ্রহ করেছে। বাংলাদেশের মানুষ আজকে সবধরণের সেবা পাচ্ছে। মোবাইল ফোন প্রত্যেকটি মানুষের হাতে পৌঁছে গেছে। প্রায় ৮ কোটি জনগণ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের জীবনমানের এই উন্নয়নই তাঁর সরকারের লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেশবাসীকে এটুকু বলবো যে, উন্নয়ন মেলা যেটি তাঁর সরকার করে যাচ্ছে, এই উন্নয়ন হচ্ছে জনগণের উন্নয়ন। গ্রামের মানুষ, তৃণমূলের মানুষের উন্নয়ন। এই উন্নয়ন হচ্ছে বাংলাদেশকে সমগ্র বিশ্বের দরবারে একটি সন্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে।
তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ আমরা বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হব। যে স্বপ্ন একদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেখেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য জাতির পিতা মাত্র সাড়ে ৩ বছর সময় পেয়েছিলেন।
এত স্বল্প সময়ে কোন যুদ্ধ বিধ্বস্থ দেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল কি না তাঁর জানা নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই অসাধ্য সাধন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর মত বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ছিল বলেই এটা সম্ভব হয়েছিল।
বাংলাদেশের মত একটি প্রদেশকে রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো থেকে শুরু করে আইন তৈরি, নীতিমালা, বিধিমালা থেকে শুরু করে একটি রাষ্ট্রের যা যা প্রয়োজন তাঁর সবই সেই স্বল্প সময়ে জাতির পিতা করে দিয়ে যান বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্থ দেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি জাতির পিতা যখন উন্নয়নের কাজ শুরু করেন যার সুফল দেশবাসী পেতে শুরু করে ঠিক সে সময়েই জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।
জাতির পিতাকে হত্যার পরই এদেশে অবৈধভাবে সংবিধান লংঘন করে ক্ষমতা দখলের রাজনীতি শুরু হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এই ক্ষমতা দখলকারী তারা ক্ষমতাকে নিষ্কন্টক করার জন্য একের পর এক ক্যু ঘটিয়ে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা-সামরিক অফিসার এবং সৈনিক হত্যা করেছে। কিন্তুু দেশের সাধারণ মানুষ বঞ্চিত এবং শোষিত থেমে গেছে। তাদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় নাই।
সরকার প্রধান বলেন, নিজেদের ভাগ্য গড়ায় ’৭৫ পরবর্তী শাসকগোষ্ঠী যতটা ব্যস্ত ছিলেন দেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে তারা কিছুই করেননি। সেই সময়ে ১৯টি ক্যু হয় বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর সরকার গঠন করার পরই সরকার যে জনগণের সেবক সেটা জনগণ বুঝতে পারেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৯৬ থেকে ২০০১ বাংলাদেশের মানুষের জন্য স্বর্ণযুগ ছিল। কারণ, ২১ বছর পর জনগণ প্রথমবারের মত উপলব্ধি করেছিল সরকার সত্যিই জনগণের জন্য কাজ করে এবং সে সময়েই বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। মূল্যস্ফীতি কমিয়ে প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ২ ভাগে উন্নীত করা হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬শ’ মেগাওয়াট থেকে ৪ হাজার ৩শ’ মেগাওয়াট, কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র করে স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোড়গোঁড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
এসময়ে জাতির পিতার গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের আলোকে আশ্রয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহহীনদের ঘর দেয়ার প্রকল্প শুরু হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১ শতাংশ সার্ভিস চার্জে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে গৃহহীনদের ঘর ও একটি করে স্যানিটারি ল্যাট্রিন তৈরীর ব্যবস্থা নেয়া হয়। একটি বাড়ি একটি খামার করে জনগণকে স্বনির্ভর করে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। যা পরে বিএনপি-জামায়াত সরকার বন্ধ করে দেয়।
শেখ হাসিনা বলেন, সাক্ষরতার হার ৪৫ ভাগ থেকে ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছিল। একের পর এক জেলা-উপজেলাকে নিরক্ষরতা মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হচ্ছিল। ইউনেস্কো সে সময় সাক্ষরতার হার বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশকে পুরস্কারও প্রদান করে এবং সারা বাংলাদেশে যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়।
জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট বেশি দিলেও আসন কম পাওয়ায় দুর্ভাগ্যবশত পরের ৫ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরপর ৭টি বছর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা আওয়ামী লীগের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো আর অব্যাহত রাখেনি। কারণ, সেগুলো নিয়ে তাদের মাথাব্যথা ছিল না বরং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালানো, দুর্নীতি, লুটপাট, মানিলন্ডারিং করা ও হাওয়া ভবন খুলে দেশে বিদেশে ঘুষ দুর্নীতি করাই তাদের লক্ষ্য ছিল। এভাবেই তাঁর সরকারের উন্নয়ন অর্থনীতি পুরোপুরি বিধ্বস্থ করে দেয়া হয়, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকার প্রধান বলেন, ২০০৮ সালে সরকার গঠনের পর তাঁরা দেখলেন তাঁর আগের সরকারের মেয়াদে করা সব গণমুখী কাজই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং ২০০৯ সালে আবার বিপর্যস্থ অর্থনীতি থেকে সেসব নতুন করে শুরু করা হয়।
তাঁর সরকারের লক্ষ্যই তৃণমূল মানুষের জীবন-মান উন্নয়ন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে যদি অর্থনৈতিকভাবে উন্নত করতে হয় তবে, শুধু ধনিক শ্রেণীকে আরো ধনী বানানোর প্রয়োজন নেই। বরং যারা একেবারে তৃণমূলে পড়ে আছে, অবহেলিত রয়েছে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হবে। গ্রামের জনগণের প্রাপ্য সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা দিতে হবে এবং গ্রামের অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী ও মজবুত করতে হবে, অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধি করতে হবে।
গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নে তাঁর সরকার ৫ বছর মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং ১০ বছর মেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ইতিমধ্যে ৫ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যার সুফল দেশের মানুষ পাচ্ছে।
এই দেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ ঘর পাবে, প্রতিটি ঘর আলোকিত হবে, প্রতিটি ছেলে-মেয়ে বিদ্যালয়ে যাবে, পড়াশোনা করবে, চিকিৎসা ব্যবস্থা মানুষের দোড়গোঁড়ায় পৌঁছে যাবে এবং মানুষ মানুষের মত বাঁচবে, সেই স্বপ্ন দেখতেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সে দিকে লক্ষ্য রেখেই সরকার তাঁর বাজেট ৫ গুণ বৃদ্ধি করেছে, বেতন-ভাতা ১২৩ গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে,বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর বিদ্যালয় গমন নিশ্চিত করতে সরকার প্রাথমিক থেকে পিএইচডি লেভেল পর্যন্ত বৃত্তি-উপবৃত্তি দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এই দেশকে উন্নত করতে হলে একটি শিক্ষিত জাতি আমাদের দরকার। সেজন্য যে সব গ্রামে স্কুুল নাই সেখানে স্কুল-কলেজ করে দিচ্ছে, স্কুল-কলেজ যেগুলো আছে তার উন্নয়ন ঘটাচ্ছে, প্রতিটি জেলাতেই সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করছে এবং বহুমুখী বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছে। ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার করছে। দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য প্রতিটি জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে। সর্বিক একটা উন্নয়নের গতি নিয়েই তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
দেশের প্রবৃদ্ধি এখন ৭ দশমিক ২৮ ভাগ এবং ডিসেম্বর মাসে ৫ দশমিক ৮৪ ভাগ মূল্যস্ফীতি ছিল উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, তাঁর সরকারের উন্নয়নটা সার্বিকভাবে সকল মানুষের জন্য। বিশেষ করে গ্রামের মানুষের জন্য।
বিভিন্ন জেলার স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়কালে চাঁদপুরের মৎসজীবী মানিক দেওয়ানের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শুধু ব্যবহারকারীই নয়, কারেন্ট জাল প্রস্তুুতকারক এবং বিক্রেতাদের বিরুদ্ধেও সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। (বাসস)

সাম্প্রতিক

বঙ্গবন্ধুর প্রতি রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

Wednesday, August 15th, 2018

বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী আজ

Wednesday, August 15th, 2018

বীর মুক্তিযােদ্ধা বিন্টু মােহন বড়ুয়া পরকালে ॥ এমপি কমলসহ বিভিন্ন মহলের শােক প্রকাশ

Tuesday, August 14th, 2018

ঘুমধুম বিজিবি’র অভিযানে ১০০৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক-১

Sunday, August 12th, 2018

উখিয়ায় কলেজ ছাত্রীকে উত্যক্তের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদন্ড

Sunday, August 12th, 2018

উখিয়ায় শাহপরীরদ্বীপ হাইওয়ে পুলিশের অভিযানে শতাধিক গাড়ী-চালকের বিরুদ্ধে মামলা

Sunday, August 12th, 2018

রোহিঙ্গাদের ঘরে এলপি গ্যাস, কমছে বন উজাড়

Saturday, August 11th, 2018

বান্দরবান শহরের মধ্যমপাড়ায় অগ্নিকান্ডে ৮০টি বসতঘর ভস্মিভূত

Saturday, August 11th, 2018

বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

Friday, August 10th, 2018

ভারী বৃষ্টির কারণে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নিচ্ছে ইউএনএইচসিআর

Friday, August 10th, 2018

পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের’র চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

Friday, August 10th, 2018

উখিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

Friday, August 10th, 2018

উখিয়ায় ব্যস্ত সময় কাটছে কামার শিল্পীদের

Friday, August 10th, 2018

পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

Thursday, August 9th, 2018

রামু ক্লাবের প্রথম বর্ষপুর্তি অনুষ্ঠিত

Saturday, August 4th, 2018